Category: Politics

In Indian society because of caste system, India has also followed one type of racism and because of this when Indian constitution was drafted the makers of Indian constitution introduced reservation for certain caste and people ,
Scheduled Castes (SC) and Scheduled Tribes

If we will check the records in the year 1858 also British People knew how to divide and rule India, and with this policy very intelligently they kept dividing India on name of Religion and Caste and sub caste.

But the tragedy of Mother India is that, when British People left they handed over the India to such people who changed nothing what was started by British and Indian leaders and politicians kept ruling India with the same rules and principals of British people.
British people gave us few good things and few bad things.
Those were bad things like quota system ,division on the basis of caste and religion , British people introduced that to safeguard their rule on India, but our Indian rulers also adopted same policy and ideas to create their own family rule forever in India .
Before Independence as well as after Independence also the sad story is that we never got any opposition party who wanted to change this.
And Introduce reservation in everything in India on the basis of collective salary of family.

All political parties know that divide and rule policy based on castes and religion will make them rich, will always help them hide their corruption and bad deeds and they are following it religiously

Today now in India this has become permanent method to give reservation on the basis of caste and religion to get more votes and no one has authority and powers to stop this.

Let’s know the history of Reservation –

1. In India reservation was given to people before Indian independence also when India was ruled by British people.

2. 1882 – Hunter Commission appointed. Mahatma Jyotirao Phule made a demand of free and compulsory education for all along with proportionate reservation/representation in government jobs.

3. In the year 1902 , Chatrapati Sahuji Maharaj, Maharaja of Kolhapur in Maharashtra
4. Introduced reservation in favor of backward classes to eradicate poverty and give them chance to participate in the state administration.
5. The notification of 1902 created 50% reservation in services for backward classes/communities in the State of Kolhapur. This notification is the first Govt. Order providing for reservation for the welfare of depressed classes in India.

6. Because of caste system millions of families in India got ill treatment and no opportunities to rise in society.

7. 1908-Reservations were introduced in favor of a number of castes and communities that had little share in the administration by the British.

8. 1909- Provisions were made in the Government of India Act 1909 commonly known as the Morley-Minto Reforms

9. 1919 – Provisions were made in the Government of India Act 1919

10. 1921-Madras Presidency introduces Communal G O in which reservation of 44 per cent for non-Brahmins, 16 per cent for Brahmins, 16 per cent for Muslims, 16 per cent for Anglo-Indians/ Christians and eight per cent for Scheduled Castes.

11. 1935-Indian national congress passes resolution called Poona Pact to allocate separate electoral constituencies for depressed classes.

12. 1935 – Provisions in Government of India Act 1935.

13. 1947-India obtained Independence. Dr. Ambedkar was appointed chairman of the drafting committee for Indian Constitution.

14. 26/01/1950-The Constitution of India came in force.

15. 1951 – In the case of State of Madras Vs. Smt. Champakam Dorairanjan AIR 1951 SC 226 Court has pronounced that caste based reservations as per Communal Award violates Article 15(1).

16. 1st constitutional amendment (Art. 15 (4)) introduced to make judgment invalid.

17. 1953-Kalelkar Commission was established to assess the situation of the socially and educationally backward class.

18. 1963 – Court has put 50% cap on reservations in the case of M R Balaji v Mysore AIR 1963 SC 649.

19. Tamil Nadu (69%, under 9th schedule) and Rajasthan 68% exceeded this limit.

20. 1979-Mandal Commission was established to assess the situation of the socially and educationally backward. 1980-the commission submitted a report, and recommended changes to the existing quotas, increasing them from 22% to 49.5%.As of 2006 number of castes in Backward class list went up to 2297 which is the increase of 60% from community list prepared by Mandal commission.

21. 1990-Mandal commission recommendations were implemented in Government Jobs by Vishwanath Pratap Singh.

22. 1991-Narasimha rao Government introduced 10% separate reservation for Poor among Forward Castes.

23. 1994 Supreme court advised Tamilnadu to follow 50% limit

24. 1995-Parliament by 77th Constitutional amendment inserted Art 16(4) (A) permitting reservation in promotions to the Schedule Castes and Schedule Tribes.

25. 2005 August 12 – The Supreme Court delivered a unanimous judgment by 7 judges on August 12, 2005 in the case of P.A. Inamdar & Ors. Vs. State of Maharashtra & Ors.declaring that the State can’t impose its reservation policy on minority and non-minority unaided private colleges, including professional colleges. 2005-93rd Constitutional amendment brought for ensuring reservations

26. To other backward classes and Scheduled castes and Tribes in Private Educational institutions. This effectively reversed the 2005 August Supreme Court judgment.

27. 9th March 2010 – Women Reservation Bill passed in the Upper house, Rajya Sabha.

Continue reading


বেলুড় মঠে এসে পূজ্যপাদ স্বামী আত্মস্থানন্দের পদপ্রান্তে প্রণত হলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের আদর্শের সঙ্গে মোদীর ঘনিষ্ঠতা বহুদিনের । আনন্দ বাজার পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে নরেন্দ্র মোদীর সাথে রামকৃষ্ণ মিশনের ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে আমরা নিম্নলিখিত তথ্যগুলি পাই ।
….. ষাটের দশকে মোদী তখন নেহাতই মাধ্যমিক পাশ এক কিশোর। বেলুড় মঠে চলে এসেছিলেন, সন্ন্যাসী হবেন বলে। মিশনের তৎকালীন অধ্যক্ষ, স্বামী মাধবানন্দ ছেলেটিকে ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, “বাড়ি গিয়ে আরও পড়াশোনা করো।” মোদী ফিরলেন, কিন্তু দমলেন না।

ষাটের দশকের একেবারে শেষে কী সত্তরের দশকের গোড়ায় ফের গেলেন আলমোড়া রামকৃষ্ণ আশ্রমে। উদ্দেশ্য একই, সন্ন্যাসী হওয়া। দুই মাস থাকার পরে সেখান থেকেও মোদীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর পরে রাজকোট কলেজে পড়াশোনা করতে করতে মোদী রাজকোট আশ্রমে গেলেন সাধু হতে। কিন্তু এক মাস থাকার পরে সেখান থেকেও ফিরে আসতে হল। সেই সময় রাজকোট আশ্রমের অধ্যক্ষ ছিলেন স্বামী আত্মস্থানন্দ। তিনিই মোদীকে বলেছিলেন, “এই পথ তোর জন্য নয়। তুই অন্য ভাবে দেশের কাজ করবি।”

বেলুড় মঠে প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে বসে প্রবীণ সন্ন্যাসীদের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় এ দিন পুরনো দিনের সে সব গল্পই করছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। আত্মস্থানন্দের কথাতেই সন্ন্যাসী হওয়ার স্বপ্ন ত্যাগ করেন তিনি। কিন্তু কলেজপড়ুয়া যুবক রাজকোট আশ্রমে আসা-যাওয়া বন্ধ করেননি। নিয়মিত আসতেন, স্বামী আত্মস্থানন্দের সাহচর্যে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতেন। সেই সব স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়েই বেরিয়ে পড়ল, স্বামী আত্মস্থানন্দই মোদীকে বলেছিলেন ‘তুই দাড়ি কাটবি না।’ ‘গুরুজির’ সেই কথা আজও পালন করে চলেছেন নরেন্দ্র।
এ দিন নরেন্দ্র তাঁর আরও একটি ইচ্ছার কথা জানিয়ে গিয়েছেন। আমদাবাদ টাউন হলের পাশে কিছুটা জমি-সহ একটি দোতলা বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়িতে এক সময় সাত দিন কাটিয়ে ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। বাড়িটির মালিকানা রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দিতে চান তিনি। কিন্তু মোদীর অনুরোধ, মালিকানা হস্তান্তরের সময় স্বামী আত্মস্থানন্দ যদি গুজরাতে আসেন! স্বামী আত্মস্থানন্দের সচিব স্বামী বিমলাত্মানন্দ বলেন, “আমরা ওনাকে বলি, আপনি বেলুড়ে এসে মালিকানা হস্তান্তর করে দিয়ে যাবেন। কথাটা শুনে তিনি শুধু হেসেছেন।”
রামকৃষ্ণ মিশন সূত্রেই খবর, ২০০৫ সালের ১৮ এপ্রিল বডোদরার দিলরাম বাংলোর মালিকানা রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে তুলে দেওয়ার সময়ও নরেন্দ্র এই শর্ত রেখেছিলেন তিনি তাঁর গুরুজির হাতেই মালিকানা তুলে দেবেন। সেই মতো তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বামী আত্মস্থানন্দের হাতেই বরোদা রামকৃষ্ণ মঠের মালিকানা তুলে দেওয়া হয়। এর পরে এই আট বছরে আর গুরুজির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়নি নরেন্দ্রর।
বেলুড় মঠে আসার আগে এ দিন ভোরে দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিণীর মন্দিরে যান মোদী। সেখানে পকেট থেকে পেন বের করে মা কালীর পায়ে স্পর্শ করিয়ে নেন মোদী। শ্রীরামকৃষ্ণের ঘর, মা সারদার ঘর, পঞ্চবটী, কুঠিবাড়ি ঘুরে দেখেন। যাওয়ার সময়ে বলেন, “অনেক দিন পরে মন্দিরে এসে খুব আনন্দ পেলাম।”
সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ তিনি পৌঁছন বেলুড় মঠে। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ। মিশনের তরফে তাঁদের স্বাগত জানান স্বামী শুভকরানন্দ-সহ অন্য সন্ন্যাসীরা। শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে অর্ঘ্য দিয়ে পুরনো মন্দির, স্বামীজির ঘর, স্বামী ব্রহ্মানন্দের মন্দির, মা সারদার মন্দির, স্বামীজির সমাধিস্থল ঘুরে মোদী সোজা চলে যান শ্রীরামকৃষ্ণ সংগ্রহশালায়। সেখানে শ্রীরামকৃষ্ণের হাতের লেখা, স্বামীজিকে লেখা জামশেদজি টাটা-র লেখা চিঠি-সহ শিকাগো শিল্প-কলা কেন্দ্রের প্রতিরূপ খুঁটিয়ে দেখেন। স্বামীজির ঘরে বসে প্রায় কুড়ি মিনিট ধ্যান করেন। এর পরে চলে যান স্বামী আত্মস্থানন্দের ঘরে।
যাওয়ার আগে বলে যান, “স্বামীজি চাইতেন, ভারতবর্ষ এক দিন পৃথিবীর মধ্যে আদর্শ আসন গ্রহণ করবে। আমার আশা, স্বামীজির সেই ইচ্ছা বাস্তবে রূপায়িত হবে।”
( সৌজন্যে আনন্দ বাজার পত্রিকা , ১০/০৪/২০১৩ )

New Delhi: Finance Minister P Chidambaram Wednesday said that the government has reached an agreement with the opposition for passing the much-awaited banking amendment Bill in Parliament.

The Reserve Bank of India has indicated that it will not come out with the final guidelines on new bank license unless the Bill, which empowers the central bank to supersede the boards of banks, turns into a law.

The opposition parties had demanded that the Bill be referred again to the Standing Committee on Finance, mainly in protest against a clause in the Bill that will permit banks to participate in commodity futures trading.

The Bill also seeks to give additional powers to the RBI to inspect books of financial conglomerates and vet mergers and acquisitions in the banking sector.

The Bill also proposes to hike cap on single investor’s voting rights in a private bank to 26% from 10% now.